বিশ্বের সর্ববৃহৎ ১০টি মসজিদ -লিখেছেন “আসিফ বাংলার পথিক”

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ১০টি মসজিদের চিত্র বর্ননাসহ নিচে তুলে ধরা হলো—

মসজিদ-আল-হারম
ধারন ক্ষমতা : ৮,২০,০০০ জন
আয়তন : ৩৫৬৮০০ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : মক্কা, সৌদি আরব
স্হাপিত : ৬৩৮ সাল

মসজিদ-আল-নববী
ধারন ক্ষমতা : ৬,৫০,০০০ জন
আয়তন : ৪০০৫০০ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : মদিনা, সৌদি আরব
স্হাপিত :৬২২ সাল

ইমাম রিধ মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ১,০০০০০ জন
আয়তন : ৫৯৮৬৫৭ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : মাসহাদ, ইরান
স্হাপিত : ৮১৮ সাল

ইস্তিকলাল মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ১,২০,০০০ জন
আয়তন : ৯৫০০০ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
স্হাপিত : ১৯৭৮ সাল

হাসান মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ১,০৫,০০০ জন
আয়তন : ৯০০০০ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : কাসাবলঙ্কা, মরক্কো
স্হাপিত : ১৯৯৩ সাল

ফইসাল মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ৭৪,০০০ জন
আয়তন : ৪৩২৯৫.৮ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
স্হাপিত : ১৯৮৬ সাল

বাদশাহী মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ১,১০,০০০ জন
আয়তন : ২৯৮৬৭.২ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : লাহোর, পাকিস্তান
স্হাপিত : ১৬৭৩ সাল

শেখ জায়েদ মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ৪০,০০০ জন
আয়তন : ২২০০০ স্কয়ার মিটার
অবস্হিত : আবুধাবী, সংযুক্ত আরব আমীরাত
স্হাপিত : ২০০৭ সাল

জামে মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ৮৫,০০০ জন
অবস্হিত : দিল্লি, ইন্ডিয়া
স্হাপিত : ১৬৫৬ সাল

বায়তুল মোকাররম মসজিদ
ধারন ক্ষমতা : ৩০,০০০ জন
অবস্হিত : ঢাকা, বাংলাদেশ
স্হাপিত : ১৯৬০ সাল

“বায়তুল মোকাররম” মসজিদ -বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং জাতীয় মসজিদ। এই মসজিদটি ঢাকা’র প্রানকেন্দ্র মতিঝিলে অবস্হিত। ১৯৬০ সালে মসজিদটি স্হাপিত হয়। মসজিদটিতে একসাথে ৩০,০০০ মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারেন। এই মসজিদের নামাজের প্রধান হলরুমটির উচ্চতা ৯৯ ফুট এবং আয়তন ২৬,৫১৭ স্কয়ারফিট, বাইরে পূর্বদিকে ১,০৪০ স্কয়ারফিট বারান্দা রয়েছে। মসজিদের বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে বাগান। বাগানের পর মসজিদটির তিন দিক ঘিরে রয়েছে মার্কেট ও দোকানঘর। (মার্কেটের একাংশে) এখানে সব ধরনের ইসলামিক বইসহ যাবতীয় (ইসলামিক) ব্যবহার্য জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এই মসজিদ কতৃপক্ষ ছেলে-মেয়েদের জন্য গীষ্মকালীন ইসলামী শিক্ষা প্রদান ব্যাবস্হা করে থাকেন। নয়নাভিরাম কারুকার্যে স্হাপিত মসজিদটি আয়তনে বিশ্বের ১০ম স্হান অধিকারী (মসজিদ)।

(বায়তুল মোকাররম মসজিদ… বহু মুসল্লীসহ)

বি.দ্র এই লেখাটি ইতিপূর্বে রংমহল ফোরামের এই পোস্টে প্রকাশিত। লেখক আসিফ বাংলার পথিক লেখাটি আমার এই ব্লগে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন।

মন্তব্য করুন