এল অভ্র’র নতুন ভার্সন: 4.5.3! (আপডেটেড)

ইউনিকোডে বাংলা লেখার শ্রেষ্ঠতম সফ্টও্য়্যার কোনটি? নিঃসন্দেহে অভ্র! অভ্র’র প্রত্যাবর্তনের ফলেই ইন্টারনেটে বাংলা লেখা আজ এতটা সহজ! প্রোগ্রামার মেহদী হাসান খানের তৈরী অভ্র প্রতিটি বাঙালীর মনে জায়গা করে নিয়েছে। কিছুদিন ধরেই অভ্র’র ইউনিবিজয় লেআউট নিয়ে ঝামেলা হচ্ছিল তার অবসান ঘটেছে নতুন এই ভার্সনে। ফলে অভ্র’র উপর আনন্দ কম্পিউটার্স যে অভিযোগ আনছিল সেটির দিনও আজ শেষ! অভ্র এখন সম্পূর্ণ মুক্ত! পুরাতনকে পিছনে ফেলে অভ্র এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে এটিই আমাদের সবার কামনা…

অভ্র 4.5.3

গতকাল ২০ আগস্ট রিলিজ হয়েছে অভ্র’র নতুন এই ভার্সন। নতুন কিছু সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে। এগুলো হল:

  1. উইন্ডোজ সেভেন কম্পাটিবিলিটি (বাংলা মোডে আসতে যে সমস্যা হত ওটা ঠিক হয়ে গিয়েছে! )
  2. অটো আপডেট চেক করার সময় যে সমস্যা ছিল তা ঠিক করা হয়েছে।
  3. ইউনিবিজয় কিবোর্ড লেআউট সরিয়ে ফেলা হয়েছে (সম্ভবত এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট)
  4. নতুন দুটি লেআউট যুক্ত হয়েছে–প্রভাত এবং মুনির (অপটিমা)> Fixed R-Zofola issue.
  5. Now using ZWJ instead of ZWNJ.
  6. > Fixed default text in some textbox.
  7. > Unibijoy keyboard layout was accidentally supplied with the portable edition. Now it is removed.

পুরাতন লেআউট ইউজ করতে চাইলে

আপনি যদি অভ্র’র পুরাতন লেআউট ইউজ করতে চান তাহলে C:\Program Files\Avro Keyboard\Keyboard Layouts এখান থেকে UniBijoy.avrolayout ফাইলটি নতুন অভ্র কিবোর্ডের ইন্সটলেশন ফোল্ডারে পেস্ট করে দিন। তাহলেই আপনি আপনার প্রিয় ইউনিবিজয় মোড ফিরে পাবেন। অভ্র’র পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব
এরজন্য আমার বানানো দি বস লেআউট টাও চেখে দেখতে পারেন!

ডাউনলোড

অভ্র’র নতুন ভার্সন ডাউনলোড করতে চাইলে অমিক্রনল্যাবের ওয়েবসাইটটি দেখুন।

“এল অভ্র’র নতুন ভার্সন: 4.5.3! (আপডেটেড)”-এ 31-টি মন্তব্য

  1. আমার মতে যারা ইউনিবিজয়ে অভ্যস্ত তারা একটু কষ্ট করে ফনেটিক শিখে নেওয়া উচিত। এটা সত্যি অনেক সহজ। ভালভাবে শিখতে ২/৩ দিনের বেশি লাগার কথা না।
    গতকাল নতুন ভার্সন ইনস্টল করলাম।
    আমার এখন আর বিজয় ভাল লাগে না। অনেক বিরক্তিকর। তবে একটা বিষয় সত্যি দুঃখের। সেটা হল যারা সাধারনত ইন্টারনেট ইউজ করেনা বা বাংলা ব্লগ এবং কম্যুনিটির সাথে পরিচিত না এবং অভ্র চিনেনা তারা এখনও বিজয়ের অন্ধ ভক্ত। না বুঝেই তারা অভ্রের বিরোধিতা করে।

  2. অ.ট. আমার একটা উপকার কর।
    তোমার এই সাইটটা বানাইতে কি কি প্লাগিন ব্যবহার করছ আর এরকম থিম কই পাব সেই লিঙ্কটা দাও।

    • কিছুই বুঝতেছি না, একদিনের মধ্যে আরেকটা ভার্সন কিভাবে আসে?
      যাই হোক, হাসান ভাইয়ের Talks মনে হয় বেশি জনপ্রিয়তা পাইতেছে না। এই দুইদিন প্রায় সবকিছুই নিশ্চুপ।
      আরেকটা জিনিষ বলার আছে। একটা প্রস্তাব দিব।
      জে.এস.সি পরীক্ষার পর পরই তো একটা ভাল ডোমেইন আর হোস্টিং কিনে পুরোদমে ব্লগিং করব বলে ঠিক করলাম। তুমি নাকি ইংরেজীতে ব্লগিং শুরু করবা। ভাবতেছি জিনিষটা দুইজন মিলে করলে কেমন হয়। এতে সুবিধা আছে দুইটা –
      ১) ডোমেইন আর হোস্টিংয়ের খরচা ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে।
      ২) দুইজন মিলে শুরু করলে সাইটে সময় দেয়া যাবে বেশি। নিজে নিজে সাইট বানালে দেখা যায় সেটা নিয়মিত করা যায় না। আবার কয়দিন সাইটটা মেইনটেইন করাও কঠিন হয়।
      এই বিষয়ে আমার একটা মধ্যমেয়াদী প্ল্যান আছে। তুমি যদি রাজি থাক, তাহলেই জিনিষটা ফাইনাল করতে পারি। কি বল তুমি?

    • তোমার প্রস্তাব অবশ্যই ভাল। কিন্তু আমি এতে রাজি না।
      কারণ আমি কোন কোন মাল্টিইউজার ব্লগ বা কম্যিউনিটি বানাতে চাই না। সেটাতো অনেক আছে এবং ভাল ভাল রয়েছে। ওদের সাথে প্রতিযোগীতা করার কোন ইচ্ছা আমার নেই। এই ব্লগটি তৈরীর মূল উদ্দেশ্য নিজের একটি সাইট তৈরী করা এবং সেখানে নিজের কথাগুলো লেখা। আমি যদি ইংলিশ ব্লগ তৈরী করি সেটিও একই উদ্দেশ্য নিয়েই তৈরী করব। কিন্তু যদি দুইজন মিলে তৈরী করি সেটা তো আমার থাকল না…তাই না?

      • আমি তো মাল্টি ইউজার ব্লগের কথা বলতেছি না। সেটা হইলে খবর ছিল। দলে দলে লোক এসে ভিড়ত। আমি বলতেছিলাম যেই ব্লগে দুইজন ব্লগারই থাকবে। অবশ্য নিজের কথাগুলো প্রকাশ করতে হলে একা ব্লগিংও করা যায়। যাই হোক সেটা তোমার ব্যাপার। “জিন্নাত উল হাসান” ব্লগ কিন্ত একান্ত ব্যাক্তিগত হলেও সেখানে Contributor আছে। এডমিন তাদের লেখা যাচাই করে প্রকাশ করে। আমি সেই ধরনের কিছু বলতেছিনা।
        দুইজনের ব্লগ থাকলে সেখানেও নিজেদের কথা প্রকাশ করা যায়। ভবিষ্যতে একটা কম্যুনিটি বা ফোরাম খোলার ইচ্ছা আছে। আশা করি সেখানে তোমাকে পাব। আর ইংরেজীতে নিজে নিজে ব্লগিং করে ভিজিটর পাওয়ায় এত সহজ না।
        তোমার সাইটের লিঙ্কটা দিও কিন্তু।

  3. আমার একটা খুশির খবর আছে।
    আমার এক খালাত ভাই আর তার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ অস্ট্রিলিয়ান এক অর্গানাইজারদের সাথে দুই বছরের জন্য চুক্তি করেছে। আমার খালাত ভাইয়ের গ্রুপই এখন আমাকে ওয়েব ডিজাইন আর ডেবেলপমেন্ট শিখাবে অনেক দিন ধরে। এতদিনে বোধ হয় আমার ইচ্ছা পূরন হবে।
    কি মনে হয় তোমার কেমন হবে ব্যাপারটা?
    একটা কমেন্ট করছিলাম – http://www.saiftheboss.co.cc/270.html/comment-page-2#comment-775

মন্তব্য করুন